April 19, 2026, 11:09 am

নাসিক ১নং ওয়ার্ডের প্রধান সড়কের বেহাল দশা

,সিদ্ধিরগঞ্জ (১৯’জুন ২২’ইং রোববার) ঃ নাসিক ১নং ওয়ার্ডের প্রধান সড়কের বেহাল দশা, প্রতিনিয়ত ঘটছে দূর্ঘটনা, ভোগান্তি চরমে। নারায়ণগঞ্জ সিটি কর্পোরেশনের ১নং ওয়ার্ডের প্রধান সড়ক মিজমিজি টিসি রোড। উক্ত রোডের নারায়ণগঞ্জ শিমরাইল সড়কের সংযোগ স্থান সিদ্ধিরগঞ্জ পুল। এ জায়গাটি ঢাল হওয়ায় যান চলা-চলে বিঘœ ঘটছে। বিশাল-বিশাল গর্ত তৈরি হওয়ায় প্রতিনিয়ত ঘটছে সড়ক দূর্ঘটনা, দেখার কেউ নেই।
নানিক ১নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর আনোয়ার ইসলাম বলেন, দীর্ঘদিন যাবৎ এ সড়কটি অচল হয়ে আছে। বর্তামান বর্ষা মৌসমে নাজুক অবস্থা। আমি নিজ উদ্দ্যোগে বেশ কয়েবার এ গর্তগুলো ইট ভাঙ্গা ফেলে মেরামত করেছি। সত্যা ঘটনা এই যে পাশ্ববর্তি দোকানদাররা এ ইট গুলো তুলে নিজেদের দোকানের কাজে লাগাচ্ছে। যেহেতু এ সড়ক দিয়ে আমি নিজেও চলাচল করি যতদ্রুত সম্ভব আবার মেরামত করে দিব।######

এই বিভাগের আরও খবর


অ্যামোনিয়া সংকটের কারণে চট্টগ্রামের আনোয়ারায় অবস্থিত দেশের একমাত্র রাষ্ট্রায়ত্ত ডাই-অ্যামোনিয়া ফসফেট ফার্টিলাইজার কোম্পানি লিমিটেড (ডিএপিএফসিএল) সারকারখানার উৎপাদন কার্যক্রম বন্ধ হয়ে গেছে। শনিবার (১৮ এপ্রিল) সন্ধ্যা সাড়ে ৭টার দিকে কারখানার অ্যামোনিয়া মজুদ শেষ হয়ে গেলে কর্তৃপক্ষ সার উৎপাদন বন্ধ করতে বাধ্য হয়। ডিএপিএফসিএল সূত্রে জানা গেছে, গত ৪ মার্চ গ্যাস সংকটের কারণে চিটাগাং ইউরিয়া ফার্টিলাইজার কোম্পানি লিমিটেড (সিইউএফএল) এবং কর্ণফুলী ফার্টিলাইজার কোম্পানি লিমিটেড (কাফকো)-তে ইউরিয়া সার ও অ্যামোনিয়া উৎপাদন বন্ধ হয়ে যায়। অথচ ডাই-অ্যামোনিয়া ফসফেট ফার্টিলাইজার কোম্পানি লিমিটেড (ডিএপিএফসিএল) প্রতিষ্ঠার পর থেকেই এই দুই কারখানা থেকে অ্যামোনিয়া সংগ্রহ করে সার উৎপাদন চালিয়ে আসছিল। ফলে সিইউএফএল ও কাফকো বন্ধ হয়ে যাওয়ায় ডিএপিএফসিএলে অ্যামোনিয়া সরবরাহ পুরোপুরি বন্ধ হয়ে পড়ে। এ অবস্থায় মজুদ অ্যামোনিয়া ব্যবহার করে কিছুদিন উৎপাদন অব্যাহত রাখা হলেও শেষ পর্যন্ত শনিবার সন্ধ্যায় তা ফুরিয়ে যায় এবং উৎপাদন বন্ধ ঘোষণা করা হয়। দেশের কৃষি খাতে সুষম সার ব্যবহারের নিশ্চয়তা এবং নাইট্রোজেন ও ফসফরাসসমৃদ্ধ যৌগিক সারের ক্রমবর্ধমান চাহিদা পূরণের লক্ষ্যে শিল্প মন্ত্রণালয়ের অধীনে বিসিআইসি নিয়ন্ত্রিত এই কারখানাটি প্রতিষ্ঠিত হয়। চট্টগ্রামের আনোয়ারা উপজেলার রাঙ্গাদিয়ায় স্থাপিত কারখানাটিতে দৈনিক ৮০০ মেট্রিক টন উৎপাদনক্ষমতাসম্পন্ন দুটি ইউনিট (ডিএপি-১ ও ডিএপি-২) রয়েছে। ২০০৬ সাল থেকে কারখানাটি বাণিজ্যিক উৎপাদনে রয়েছে। ডিএপিএফসিএলের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মঈনুল হক জানান, গত ৪ মার্চ থেকে অ্যামোনিয়া সরবরাহ বন্ধ রয়েছে। মজুদ দিয়ে উৎপাদন চালানো হলেও এখন তা শেষ হয়ে গেছে। অ্যামোনিয়া সরবরাহ পুনরায় চালু না হওয়া পর্যন্ত কারখানার উৎপাদন বন্ধ থাকবে।

ফেসবুকে আমরা